শেষ ওভারে জয়ের জন্য হায়দরাবাদের প্রয়োজন ছিল ৯ রান, হাতে ছিল ৩ উইকেট। এমন সমীকরণের সামনে নীতিশ রানা বল তুলে দেন বরুণ চক্রবর্তীর হাতে। প্রথম বলে ১ রান দেন তিনি। তার দ্বিতীয় বল থেকে লেগবাই হিসেবে আরও একটি রান পায় হায়দরাবাদ। নিজের তৃতীয় বলে বরুণ তুলে নেন আবদুল সামাদকে। হায়দরাবাদের তখন ৩ বলে প্রয়োজন ৭ রান। পরের বলটি ডট। পঞ্চম বল থেকে আসে ১ রান। জয়ের জন্য হায়দরাবাদের তখন ১ বলে দরকার ৬ রান। কিন্তু শেষ বলটিতে কোনো রান নিতে পারেনি তারা।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাঝারি মানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শুরুটা করেছে দেখেশুনে, সাবধানে। কিন্তু উইকেট পতন ঠেকাতে পারেনি তারা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারেই হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। তবে রানও তুলেছে ৫৩। পাওয়ারপ্লের পর ১ রান তুলতেই আরও একটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে হায়দরাবাদ।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে মার্করাম ও ক্ল্যাসেন মিলে ৪৭ বলে তোলেন ৭০ রান। জুটি ভাঙে ২০ বলে ১ চার ও ৩ ছয়ে ২০ বলে ৩৬ রান করে ক্ল্যাসেনের আউটে। মার্করাম আউট হয়েছেন ৪ চারে ৪০ বলে ৪১ রান করে।
মার্করাম যখন ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে ফেরেন, ১৬.৫ ওভারে হায়দরাবাদের রান তখন ৬ উইকেটে ১৪৫। জয়ের জন্য তখনো তাদের প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। এই অবস্থায় ম্যাচ একবার কলকাতা, আরেকবার হায়দরাবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছিল। কিন্তু শেষ হাসিটা কলকাতাই হেসেছে।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৭১ রান তোলে কলকাতা। জবাবে ৮ উইকেটে ১৬৬ রান তুলতে পারে হায়দরাবাদ। তাতে ৫ রানের জয় পায় ওপার বাংলার দলটি।
Array
