• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • ভেদরগঞ্জে প্রকাশ্যে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি নিরব ভূমিকায় প্রশাসন 

     বার্তা কক্ষ 
    05th May 2023 10:01 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    স্টাফ রিপোর্টার, শরীয়তপুর: অবৈধ ভাবে প্রকাশ্যে ৩ ফসলি জমির মাটি কাটার কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। চলছে ফসলী জমির মাটিকাটা উৎসব। তিন ফসলী কৃষি জমি পরিনত হচ্ছে পুকুর-ডোবায়। দিন দিন ফসলের উৎপাদন কমছে, বেকার হচ্ছে কৃষক, পরিবেশ হচ্ছে দূষিত।

    মাটি পরিবহনে ভারী ট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রলি ব্যবহারে ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। আইন অমান্য করে এমনি কর্মকাণ্ড চলছে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএমখালী ইউনিয়নে ৭ নং সরকার কান্দি (জোড়া ব্রিজ) চর হোগলা গ্রামে ভেকু দিয়ে এ মাটি কাটছে। অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচলে ধুলার কুয়াশায় ডেকে গেছে গোটা এলাকা।

    সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ডি এম খালি ইউনিয়নের জোড়া ব্রিজ থেকে কার্তিকপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় ধুলার কুয়াশায় ডেকে গেছে। এই রাস্তায় প্রতিদিন গড়ে ১০০ মাটির ট্রেক ও অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচল করে। এলাকা ধুলা-বালুতে আচ্ছন্ন হয়, এতে করে যাতায়াতে নানা শ্রেণির মানুষের শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ছে জনমনে ক্ষোভ। রাস্তায় এজিং ভেঙ্গে সরকারের লাখ লাখ ক্ষতি হলেও প্রশাসনের মাথা ব্যাথা নেই।

    এ অবস্থায় দিশেহারা ও অসহায় জীবন যাপন করছে এবং স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পরছে হাজার হাজার মানুষ। এ ধুলার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল কলেজ যেতে পারে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ও শিশু অসুস্থ্য হয়ে পরছে বেশী।

    উপজেলা প্রশাসনিক দপ্তর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটারের মধ্যে প্রকাশ্যে অবৈধ ভাবে ফসলি জমির মাটি কাটছে দেখলে মনে হয় সরকার থেকে অনুমতি নিয়ে পুকুর খনন করছে। উপজেলার ডিএমখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সরকার কান্দি এলাকায় ২ টি ভেকু দিয়ে মাটি মাটছে এলাকার প্রভাবশালী তোফাজ্জল সরকার।

    স্থানীয় এক শিক্ষক জানান, আমরা একাধিক বার এটি বন্ধ করতে চাইলেও সফল হতে পারি নি। তাদের কাছে আমরা অসহায়। কোনো সংবাদকর্মী সংবাদ সংগ্রহে যেতে পারে না। ভূমিদস্যুদের নিজেস্ব সন্ত্রসী বাহিনী কেউ গেলে তাদেরতে প্রতিহত করে।

    ৩১ নং চর হোগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণীর ছাত্র সাইদ,রাব্বি সহ অনেকে বলেন, আমরা স্কুলে আাসতে পারিনা। ধোলায় আমাদের জামা কাপড় নষ্ঠ হয়ে যায়। মাহেন্দ্রার ধুলার কারণে বাড়িতে পড়তে পারিনা, ভাত খাইতে পারিনা, দিনে জানালা খুলে পড়তে পারিনা। আমরা অসুস্থ্য হয়ে পরছি।

    অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত বা ইউনিয়ন বা গ্রামীন সড়ক ব্যবহার করিয়া কোন ব্যক্তি ভারি যানবাহন দ্বারা ইট বা ইটের কাচাঁমাল পরিবহন করিতে পারিবেন না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তা হইলে তিনি ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। এসব আইন থাকার পরও ভূমিদস্যুরা আইনের তোয়াক্কা না করে স্থানীয় প্রশাসন চোখের সামনে এসব কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার পরও প্রশাসনের এই নিরব ভূমিকায় প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এলাকাবাসীর মনে।

    অবৈধ মাটি কাটার বিষয় তোফাজ্জল সরকার জানান, এ বিষয়ে ফোনে কথা বলা যাবে না। সামনা সামনি কথা বলবো। আমি প্রশাসন ম্যানেজ করেই মাটি কাটি। আপনার কিছু জানার থাকলে ইউএনও’র সাথে কথা বলেন এ কথা বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম জানান, ফসলি জমি নষ্ট করে মাছের ঘের / বিক্রি করার বিষয় আমার জানা নেই। কৃষক লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিবো।

    এবিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কৃষি জমি নষ্ট করে মাছের ঘের বা ইট ভাটায় বিক্রি সুযোগ নেই। আমি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আমরা অভিযোগ পেলে অভিযান পরিচালনা করি। কখনও পুলিশ পাঠিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ